Blog

  • ল্যান্ডিংয়ের সময় মুখ থুবড়ে পড়ল পাক যুদ্ধবিমান JF-17 Thunder

    ল্যান্ডিংয়ের সময় মুখ থুবড়ে পড়ল পাক যুদ্ধবিমান JF-17 Thunder

    ইসলামাবাদ: পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি JF-17 Thunder যুদ্ধবিমান (JF-17 Thunder crash)ল্যান্ডিংয়ের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। পাইলট জরুরি অবস্থায় ইজেক্ট করে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। এই ঘটনা পাকিস্তানের সামরিক বিমান চালনায় নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে JF-17-এর নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে।ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাব প্রদেশের জাঙ্গ জেলার কাছে একটি বিমানঘাঁটিতে।

    বিমানটি রুটিন ট্রেনিং মিশন থেকে ফিরছিল এবং ল্যান্ডিংয়ের সময় টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারায়। পাইলট দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্টিন-বেকার PK16LE ইজেকশন সিট ব্যবহার করে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। পাইলটের নাম প্রকাশ করা হয়নি, তবে পাকিস্তান বিমান বাহিনী (PAF) নিশ্চিত করেছে যে তিনি সুস্থ আছেন এবং কোনো গুরুতর আঘাত পাননি। বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু মাটিতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই।

    পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ল্যান্ডিং গিয়ারের সমস্যা বা ইঞ্জিন ফেলিওরের সম্ভাবনা দেখা হচ্ছে। JF-17 Thunder চীন-পাকিস্তান যৌথ উন্নয়নের ফল, যা পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর মেরুদণ্ড। এটি হালকা, মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা F-16-এর সঙ্গে মিলে কাজ করে। কিন্তু JF-17-এর ক্র্যাশ ইতিহাস বেশ লম্বা। ২০২৪ সালের জুন মাসে জাঙ্গের কাছেই আরেকটা JF-17 Block 2 ক্র্যাশ হয়েছিল, যেখানে পাইলট ইজেক্ট করে বেঁচেছিলেন।

    আরও দেখুন: বিজেপিতে যোগ দিলেন বঙ্কিমের বংশধর

    মার্টিন-বেকার কোম্পানি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সেই ঘটনা নিশ্চিত করেছিল। এর আগে ২০২০, ২০২১ সালেও JF-17-এর ক্র্যাশ হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, RD-93 ইঞ্জিনের সমস্যা, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং অতিরিক্ত ব্যবহার এসব দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।এই দুর্ঘটনা পাকিস্তান বিমান বাহিনীর জন্য লজ্জার। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে JF-17-এর ব্যবহার হয়েছিল এবং পাকিস্তান দাবি করেছিল যে এটি S-400 সিস্টেম ধ্বংস করেছে।

    কিন্তু ক্র্যাশের ধারাবাহিকতা JF-17-এর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পাকিস্তান JF-17-কে বিদেশে রপ্তানি করার চেষ্টা করছে নাইজেরিয়া, মিয়ানমারসহ কয়েকটা দেশে বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এমন দুর্ঘটনা ক্রেতাদের আস্থা কমাতে পারে।পাইলটের জীবন বাঁচানো ইজেকশন সিটের কারণে সম্ভব হয়েছে। মার্টিন-বেকারের PK16LE সিট JF-17-এর জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা। এটি পাইলটকে দ্রুত ও নিরাপদে বের করে আনে। পাকিস্তান বিমান বাহিনী এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (ব্ল্যাক বক্স) পরীক্ষা করা হচ্ছে।

  • বিজেপিতে যোগ দিলেন বঙ্কিমের বংশধর

    বিজেপিতে যোগ দিলেন বঙ্কিমের বংশধর

    কলকাতা: ‘বন্দে মাতরম্’ রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য এবং (Bankim Chandra)শ্রম বিভাগের প্রাক্তন সিনিয়র আধিকারিক, সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিয়েছেন। কলকাতায় বিজেপির সল্টলেক অফিসে এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।

    বিশেষ করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের এই যোগদান বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।সুমিত্রা চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্রের পঞ্চম প্রজন্মের বংশধর। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে প্রকাশিত ‘বন্দে মাতরম্’ গান ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা পেয়েছে এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক। সুমিত্রা নিজে শ্রম বিভাগে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, যেখানে তিনি শ্রমিক অধিকার, কর্মসংস্থান নীতি এবং সামাজিক ন্যায়ের বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

    ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার, জেনে নিন কোন জেলায় কত Central Forces মোতায়েন

    ।অনুষ্ঠানে ভূপেন্দ্র যাদব বলেন, “বন্দে মাতরম্ আমাদের জাতীয় গৌরব। বঙ্কিমচন্দ্রের পরিবারের সদস্য সুমিত্রা চট্টোপাধ্যায়ের যোগদান বিজেপির জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবেন এবং রাজ্যের উন্নয়নে অবদান রাখবেন।” শমীক ভট্টাচার্য যোগ করেন যে, সুমিত্রা চট্টোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তির যোগদান দেখাচ্ছে যে, বিজেপি সব শ্রেণির মানুষকে একত্রিত করছে। তিনি বলেন, “বাংলায় বিজেপি ক্রমাগত বাড়ছে।

    এই যোগদান রাজ্যের বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের আকর্ষণের প্রমাণ।”সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় নিজে তার যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, তিনি বিজেপির উন্নয়নমুখী নীতি, জাতীয়তাবাদ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বর্তমান রাজ্য সরকার বঙ্কিমচন্দ্রের বাড়ি ও ঐতিহ্যকে অবহেলা করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে তিনি এবং তার পরিবারের অন্য সদস্য সজল চট্টোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে মিলে বঙ্কিমচন্দ্রের কলকাতার বাড়ির অবহেলা নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন।

    সেই বাড়ি রাজ্য সরকারের অধিগ্রহণের পর থেকে অব্যবহৃত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। সুমিত্রা বলেন, “বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে এবং বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপির সঙ্গে যোগ দেওয়া আমার জন্য গর্বের।” তবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও পাল্টা বলেছে এই যোগদানে নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তন হবে না। তবে তৃণমূল সুমিত্রকে কটাক্ষ করে বলেছে যারা বঙ্কিম চন্দ্রকে বঙ্কিমদা বলে বাংলার ঐতিহ্য বোঝে না তাদের দলে গিয়ে বঙ্কিম চন্দ্রকে অপমান করেছেন তার বংশধর।

  • ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু IFL 2026, বিনামূল্যে দেখা যাবে ফুটবল লিগ

    ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু IFL 2026, বিনামূল্যে দেখা যাবে ফুটবল লিগ

    কলকাতা: দীর্ঘ টানাপড়েনের পর অবশেষে শুরু হয়েছে আইএসএল। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে আইলিগ যার নতুন নাম ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগ (IFL 2026)৷ যদিও আইএসএলের মতো এই ফুটবল লিগ সম্প্রচার নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। অবশেষে সমর্থকদের জন্য সুখবর। বিনামূল্যে দেখা যাবে এই ফুটবল লিগ।

    এবারের IFL-এর সম্প্রচার স্বত্ত্ব প্রসার ভারতীকে দিতে পারে। প্রসার ভারতীর টিভির উইংয়ের নাম দূরদর্শন ও রেডিও হচ্ছে অল ইন্ডিয়া রেডিও। প্রসার ভারতীতে এই ফুটবল লিগ দেখানো হলে কোনও টাকা দিতে লাগবে না। এমনকি সাব লাইসেন্সিং ফি-ও মকুব করছে AIFF। সম্প্রচার থেকে যে টাকা আয় হবে তা ৬০:৪০ রেশিওতে ভাগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ৬০ শতাংশ যাবে ক্লাবগুলোর কাছে এবং ৪০ শতাংশ যাবে IFL-এর কেন্দ্রীয় রেভিনিউ পুলে।

    IFL পরিচালনা করছে গর্ভনিং কাউন্সিল। সেখানে রয়েছেন ৯ টি ক্লাবের প্রতিনিধি। এছাড়া ম্যানেজিং কমিটিতে রয়েছেন ৫ টি ক্লাবের প্রতিনিধি। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে মোট ১০ টি দল। ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা IFL-এর প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে নামধারী এফসি ও আইজল এফসি। ম্যাচ শুরু হবে বিকেল ৪টে নাগাদ। এরপর সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে চানমারি এফসি ও গোকুলাম কেরালা।

  • ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার, জেনে নিন কোন জেলায় কত Central Forces মোতায়েন

    ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার, জেনে নিন কোন জেলায় কত Central Forces মোতায়েন

    কলকাতা: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন৷ প্রথম পর্যায়ে রাজ্যের ২৩ জেলায় মোট ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) মোতায়েন করা হবে৷ এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়৷

    উত্তর ২৪ পরগনা তিনটি পুলিশ জেলা ও দুটি কমিশনারেট মিলিয়ে ৩০ কোম্পানি বাহিনী পাবে৷ কলকাতায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১২ কোম্পানি৷ মুর্শিদাবাদে ১৬, হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৫ করে কোম্পানি মোতায়েন করা হবে৷ পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি, মালদহ ও নদিয়ায় ১২ করে এবং উত্তর দিনাজপুরে ১১ কোম্পানি থাকবে৷

    দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি, দার্জিলিং পার্বত্য এলাকা ও শিলিগুড়ি মিলিয়ে ৯ কোম্পানি এবং কোচবিহারেও ৯ কোম্পানি থাকবে৷ পূর্ব বর্ধমান ৮ কোম্পানি, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর ও জলপাইগুড়িতে ৭ করে, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আলিপুরদুয়ারে ৫ করে এবং কালিম্পঙে ৩ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে৷

    মোট ২৪০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে—

    ১১০ কোম্পানি সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF)

    ৫৫ কোম্পানি বিএসএফ

    ২১ কোম্পানি সিআইএসএফ

    ২৭ কোম্পানি আইটিবিপি

    ২৭ কোম্পানি এসএসবি

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন জওয়ান রাখা বাধ্যতামূলক৷ কোনও কোম্পানিতে কর্মীর সংখ্যা কম হলে তা অনুমোদিত হবে না৷ নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরপরই ১ মার্চ থেকে রাজ্যজুড়ে বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে৷ প্রথম ধাপের ২৪০ কোম্পানির পরে ১০ মার্চ আরও ২৪০ কোম্পানি পাঠানো হবে৷

    গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে প্রায় ১১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়েছিল৷ এবার ধাপে ধাপে মোট ৪৮০ কোম্পানি মোতায়েনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷ প্রশাসনের মতে, এই ব্যবস্থা অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ভোট নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে৷

  • T20 World Cup: মার্করামের ব্যাটিংয়ে কুপোকাত ক্যারিবিয়ানরা, সেমি নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার

    T20 World Cup: মার্করামের ব্যাটিংয়ে কুপোকাত ক্যারিবিয়ানরা, সেমি নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার

    প্রথমে ভারত। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) সুপার এইট পর্বে অনবদ্য পারফরম্যান্স দক্ষিণ আফ্রিকার। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেল প্রোটিয়াদের। সুপার এইট পর্বে প্রথম ম্যাচ জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচে নতজানু ক্যারিবিয়ানরা। সেমির ভাগ্য ঝুলছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২৩ বল বাকি থাকতেই ৯ উইকেট জয়ের মুখ দেখল দক্ষিণ আফ্রিকা।

    টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ১১ বলে ২১ রান ও শাই হোপ ৬ বলে ১৬ রান তোলেন। মিডল অর্ডার ব্যর্থ। জেসন হোল্ডার ৩১ বলে ৪৯ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। রোমারিও শেফার্ড ৩৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাদা ২ টি, লুঙ্গি এনগিডি ৩ টি ও করবিন বোশ ২ টি করে উইকেট নেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান তোলে ক্যারিবিয়ানরা।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাইশ গজে ঝড় তোলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার। কুইন্টন ডি কক ২৪ বলে ৪৭ রান তুলে সাজঘরে ফেরেন। আরেক ওপেনার তথা অধিনায়ক এইডেন মার্করাম স্মরণীয় ইনিংস উপহার দিলেন। ৪৬ বলে ৮২ রান তুলে অপরাজিত ছিলেন। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৭ টি চার ও ৪ টি ছয় দিয়ে। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন রায়ান রিকেলটন। ২৮ বলে ৪৫ রান স্কোরবোর্ডে যোগ করেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে রোস্টন চেজ ১ টি উইকেট নেন। ১৬.১ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান তুলে জয় পেল দক্ষিণ আফ্রিকা।

  • Siliguri: উত্তরকন্যার উদ্দেশ্যে আদিবাসী প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের জলকামান-টিয়ার গ্যাস

    Siliguri: উত্তরকন্যার উদ্দেশ্যে আদিবাসী প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের জলকামান-টিয়ার গ্যাস

    শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে উত্তর কন্যা-র দিকে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের রোষে আদিবাসীরা (Siliguri Uttarkanya)। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের ওপর পুলিশের জলকামান ও টিয়ার গ্যাস চার্জ করার ঘটনায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লোকেরা অভিযোগ করেছেন যে, তাদের ওপর নির্যাতন ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে, এবং এর প্রতিবাদে তারা রাজ্য সরকারের শাখা সচিবালয় উত্তর কন্যা-র দিকে শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেছিলেন। পুলিশের এই কঠোর ব্যবস্থায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    তারা দাবি করেন যে, সম্প্রতি আদিবাসীদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি, জমি-জায়গা সংক্রান্ত অভিযোগ এবং অন্যান্য অত্যাচারের ঘটনা বেড়েছে। বিশেষ করে কিছু এলাকায় আদিবাসী মহিলাদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে, যা তারা সরকারের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ (JSM)-এর মতো সংগঠন এই মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছে। তারা উত্তরবঙ্গের সচিবালয় উত্তর কন্যা-তে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দিতে চেয়েছিলেন।

    পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, মিছিলকারীরা অনুমতি ছাড়াই রাস্তা অবরোধ করে এগোচ্ছিলেন এবং ট্রাফিক ব্যাহত হচ্ছিল। পুলিশ বারবার অনুরোধ করার পরও তারা না থামায় প্রথমে জলকামান চালানো হয়, তারপর টিয়ার গ্যাস শেল ফেলা হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কঠোর হতে হয়েছে। ANI-র ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলকারীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছেন, আর পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করছে।

    আদিবাসী নেতারা এই পদক্ষেপকে অত্যধিক বলে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে এমন বলপ্রয়োগ অগণতান্ত্রিক। জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চের নেতারা দাবি করেছেন যে, সরকার আদিবাসীদের অভিযোগ শোনার পরিবর্তে দমনমূলক নীতি নিচ্ছে। তারা আরও বলেছেন, উত্তরবঙ্গের আদিবাসী এলাকায় জমি অধিগ্রহণ, বনাঞ্চলের অধিকার এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে।

    সম্প্রতি কিছু ঘটনায় আদিবাসী মহিলাদের ওপর অত্যাচারের খবর এসেছে, যা প্রতিবাদের মূল কারণ।এই ঘটনা উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিরোধী দলগুলো সরকারকে আদিবাসী-বিরোধী বলে অভিযোগ করছে। তারা বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশকে বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।

    কোনো অভিযোগ থাকলে আইনি পথে সমাধান করা যায়, রাস্তা অবরোধ করে নয়।শিলিগুড়ি উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ শহর, যেখানে আদিবাসী, গোর্খা, বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করে। এখানে আদিবাসীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তারা ST স্ট্যাটাস, জমির অধিকার, চাকরি ও শিক্ষায় সংরক্ষণ নিয়ে লড়াই করে আসছে। এই প্রতিবাদ মিছিল সেই অসন্তোষের প্রকাশ। পুলিশের বলপ্রয়োগের পর আদিবাসী সংগঠনগুলো আরও বড় আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে।

  • Bangladesh: রমজানে দিনের বেলা হিন্দুদের দোকান বন্ধ রাখার হুমকি বাংলাদেশে

    Bangladesh: রমজানে দিনের বেলা হিন্দুদের দোকান বন্ধ রাখার হুমকি বাংলাদেশে

    ঢাকা: চলছে রমজান মাস। এই আবহেই ফের উত্তেজনা বাংলাদেশে। (Bangladesh)বাংলাদেশে রমজান মাস চলাকালীন হিন্দু মালিকানাধীন দোকানপাটে হামলা ও চাপের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় মুসলিম জনতা দোকান খোলা রাখার জন্য হিন্দু ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, দিনের বেলা দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য করছে এবং ইফতারের আগে খোলা রাখলে হুমকি দিচ্ছে।

    কোথাও কোথাও দোকানের ভিতরে গ্রাহকদের খাবার খাওয়াতেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। এই ঘটনাগুলোকে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর স্পষ্ট ভয়ভীতি ও অত্যাচার হিসেবে দেখা হচ্ছে।রমজানের শুরু থেকেই এমন অভিযোগ উঠেছে যে, কিছু গোষ্ঠী রোজা রাখা মুসলিমদের ‘পবিত্রতা’ রক্ষার নামে খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁ এবং অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে দিনের বেলা বন্ধ রাখতে বাধ্য করছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে।

    তারা বলেছে, মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে বিভিন্ন এলাকায় খাবারের দোকানগুলোকে জোর করে বন্ধ করা হচ্ছে। দোকান মালিকরা নিরাপত্তার ভয়ে এই দাবি মেনে নিচ্ছেন, যার ফলে অনেকের জরুরি খাবারের সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অংশে এমন ঘটনা বেড়েছে।এই চাপের ফলে হিন্দু ব্যবসায়ীরা বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। রমজানে দিনের বেলা দোকান খোলা রাখলে তাদের ওপর হুমকি আসছে ‘ইফতারের আগে দোকান খুললে মেরে ফেলা হবে’ এমন কথা বলা হচ্ছে।

    কিছু ক্ষেত্রে দোকানের সামনে পর্দা টাঙিয়ে খাবার বিক্রি করলেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালে সিলেটে রাজীব কুমার দে নামে এক হিন্দু রেস্তোরাঁ মালিককে রমজানে দোকান খোলা রাখার জন্য মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছিল। এখন ২০২৫-২০২৬ সালে রমজানে এই ধরনের চাপ আবার বেড়েছে। জামায়াতে ইসলামীর মতো গোষ্ঠী ঢাকায় মিছিল করে হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার দাবি তুলেছে। ফলে হিন্দু মালিকানাধীন দোকানগুলো অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছে এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

    বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুরা দীর্ঘদিন ধরে এমন চাপের মুখে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বেড়েছে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৫ সালে ৫২২টি সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে, যাতে ৬১ জন খুন হয়েছে। হিন্দু ব্যবসায়ী, মহিলা ও যুবকরা বিশেষ করে ভয়ের মধ্যে রয়েছে। অনেক পরিবার অভ্যন্তরীণভাবে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তবে অনেকেই বলছেন নতুন সরকার গঠনের পরেও এই ধরণের ঘটনা বাংলাদেশে কাম্য ছিলনা।

  • হ্যাক ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’র ইনস্টাগ্রাম, তদন্তে পুলিশি

    হ্যাক ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’র ইনস্টাগ্রাম, তদন্তে পুলিশি

    কলকাতা: রাজ্যের জনপ্রিয় জনঅভিযোগ পরিষেবা ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’র (Mamata Banerjee) অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে৷ এরপরই প্রশাসনের মধ্যে সতর্কতা জারি হয়েছে। ঘটনাটি নজরে আসার পরই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায়৷ তদন্ত শুরু হয়েছে।

    এই পরিষেবা চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই পরিষেবা চালুর কারণ যাতে নাগরিকরা সরাসরি তাদের সমস্যা ও অভিযোগ প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলো মূলত এই উদ্দেশ্যে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হ্যাকাররা গভীর রাতে অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ করে মেসেজ পাঠিয়েছে। প্রথম দফায় রাত ২টা ৬ মিনিট থেকে ২টা ১৯ মিনিটের মধ্যে বার্তাগুলি পাঠানো হয়। দ্বিতীয় দফায় সকাল ৯টা ১১ মিনিট থেকে ৯টা ২২ মিনিট পর্যন্ত আরও বার্তা যায়। মোট ৪৭টি অননুমোদিত মেসেজ পাঠানো হয়েছে। বার্তাগুলির মধ্যে সরকারি পেজ যেমন ‘এগিয়ে বাংলা’, কলকাতা পুলিশ লক্ষ্য করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, হ্যাকাররা শুধু মেসেজ পাঠায়নি, দুটি স্টোরিও আপলোড করেছে। সংস্থার দাবি, অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট তিনটি ডিভাইস একটি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ এবং একটি অফিস ডেস্কটপ অনুমোদিত ছিল। নিরাপত্তা ভেঙে হ্যাকাররা কীভাবে প্রবেশ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হ্যাকিং টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা হয় এবং সমস্ত স্ক্রিনশট, লগ ও টাইমস্ট্যাম্প সংরক্ষণ করে পুলিশের হাতে দেওয়া হয়। তদন্তকারীরা আইপি অ্যাড্রেস ও লগইন হিস্ট্রি বিশ্লেষণ করছেন। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ আশা করছে দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে যাতে এমন ঘটনা পুনরায় না ঘটে।

  • ভারতে এল ২ মিলিয়ন ব্যারেল ভেনিজুয়েলার তেল

    ভারতে এল ২ মিলিয়ন ব্যারেল ভেনিজুয়েলার তেল

    ভারতে আবার ফিরে এসেছে ভেনিজুয়েলার তেল এবার মেগা শিপমেন্টে। (Venezuela oil) ভেনিজুয়েলা এখন সুপারট্যাঙ্কার ব্যবহার করে ২ মিলিয়ন ব্যারেল (২০ লাখ ব্যারেল) করে তেলের কার্গো পাঠাচ্ছে ভারতে। এই বড় শিপমেন্টের ফলে পরিবহন খরচ কমছে, ডেলিভারি দ্রুত হচ্ছে এবং ভেনিজুয়েলার তেল রফতানি আবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০০,০০০ ব্যারেল প্রতিদিনে। আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার পর এই পরিবর্তন ঘটেছে, যা ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈচিত্র্যকরণের কৌশলের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।

    সবকিছু শুরু হয়েছে আমেরিকা-ভেনিজুয়েলা চুক্তির পর। ২০১৯ সালে আমেরিকা ভেনিজুয়েলার তেলের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ভারতের আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ভারত তখন ভেনিজুয়েলার তেলের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রেতা ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন-কারাকাস চুক্তির পর নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হয়েছে। ফলে ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি PDVSA-র মূল টার্মিনাল জোস থেকে আবার বড় বড় শিপমেন্ট শুরু হয়েছে।

    রয়টার্সের রিপোর্ট অনুসারে, ট্রেডিং হাউস ভিটল এবং ট্রাফিগুরা অন্তত তিনটা ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (VLCC) চার্টার করেছে নিসোস কিয়া, নিসোস কিথনোস এবং আরজানাহ। এগুলো প্রত্যেকটা ২ মিলিয়ন ব্যারেল করে তেল নিয়ে মার্চ মাসে লোডিং করবে এবং গন্তব্য ভারত। আরেকটা সুপারট্যাঙ্কার অলিম্পিক লায়নও ভেনিজুয়েলার দিকে যাচ্ছে, যা মার্চের শেষে পৌঁছাবে।এই বড় কার্গোর সুবিধা অনেক।

    আগে আফ্রাম্যাক্স বা প্যানাম্যাক্স ট্যাঙ্কারে ৪৫০,০০০ থেকে ৭০০,০০০ ব্যারেল করে পাঠানো হতো। এখন VLCC-তে দ্বিগুণেরও বেশি তেল একবারে আসছে। ফলে পরিবহন খরচ কমছে, ছোট ট্যাঙ্কারের অভাব কমছে এবং ডেলিভারি দ্রুত হচ্ছে। ভেনিজুয়েলায় সঞ্চিত লক্ষ লক্ষ ব্যারেল তেল দ্রুত খালি হচ্ছে। জানুয়ারিতে ভেনিজুয়েলার তেল রফতানি ডিসেম্বরের ৫০০,০০০ ব্যারেল থেকে বেড়ে ৮০০,০০০ ব্যারেল প্রতিদিনে পৌঁছেছে।

    ভারতের দিক থেকে এটা একটা স্মার্ট কৌশল। ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক। রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল আনা চলছে, কিন্তু আমেরিকার চাপে রাশিয়ান তেল কমানোর চেষ্টা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভেনিজুয়েলার ভারী ক্রুড (যেমন মেরে, বোসকান) সস্তায় পাওয়া যাচ্ছে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ভিটল থেকে ২ মিলিয়ন ব্যারেলের একটা কার্গো কিনেছে মার্চ লোডিংয়ের জন্য।

    চেভরনও প্রথমবার বোসকান ক্রুড বিক্রি করেছে রিলায়েন্সকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পর এটাই প্রথম। রিলায়েন্স PDVSA-র সঙ্গে সরাসরি কেনার চেষ্টা করছে। রাষ্ট্রায়ত্ত রিফাইনার BPCL এবং HMELও ভিটলের মাধ্যমে মেরে ক্রুড কিনেছে প্রথমবার বা দীর্ঘদিন পর। এপ্রিল পর্যন্ত ভারতের আমদানি অন্তত ৬ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছাতে পারে।

  • Murshidabad: প্রার্থী-প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল, আইনি নোটিস দিল পুলিশ

    Murshidabad: প্রার্থী-প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল, আইনি নোটিস দিল পুলিশ

    মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত। (Murshidabad)সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক এবং জনতা উন্নয়ন পার্টির (জেউপি) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের জামাই রেহান ইসলামকে মাদক আইনের একটি মামলায় পুলিশ আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। তাকে ২৮ ফেব্রুয়ারি লালগোলা থানায় হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে হুমায়ুন কবীরের পক্ষ থেকে বিস্ফোরক দাবি উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসই তার জামাইকে লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দিয়েছিল।

    এই NDPS মামলার শুরু ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। লালগোলা থানার পুলিশ জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মাদকদ্রব্য সহ গ্রেফতার করে। জিয়াউর রহমান রেহান ইসলামের বাবা শরিফুল ইসলামের দূর সম্পর্কের আত্মীয়। তদন্তে শরিফুল ইসলাম ও রেহান ইসলামের নাম উঠে আসে। পুলিশের অভিযোগ, এই পরিবারের সম্পত্তি মাদক পাচারের অর্থ দিয়ে অর্জিত, যা তাদের পরিচিত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

    ফলে হাইকোর্টের নির্দেশে ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে শরিফুল ইসলামের ১৪টি সম্পত্তি বাড়ি, দোকান, আম-লিচুর বাগান, জমি, দুটি গাড়ি এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মোট মূল্য প্রায় ১০.৭৩ কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়। লালগোলা পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু করে।এর মধ্যে নতুন মোড় এসেছে রেহান ইসলামের ওপর সরাসরি নোটিস দিয়ে। পুলিশ বলছে, তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

    ২৮ ফেব্রুয়ারি থানায় না হাজির হলে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হুমায়ুন কবীরের মেয়ে নাজমা সুলতানা এই পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বাবা নতুন দল গঠন করার পর থেকেই পরিবারের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, নোটিস সবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ষড়যন্ত্র।হুমায়ুন কবীর নিজে আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস তার জামাই রেহানকে লালগোলা থেকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দিয়েছিল।

    একজন মালদার ব্যক্তির মাধ্যমে তার বেয়াইয়ের কাছে প্রস্তাব পৌঁছেছিল। কিন্তু তিনি জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করায় এখন প্রতিশোধ নেওয়া হচ্ছে। হুমায়ুন প্রশ্ন তুলেছেন যাকে প্রার্থী করতে চেয়েছিল, তার বিরুদ্ধে এখন কেন পুরনো মাদক মামলা সক্রিয় করা হল? এটা স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। হুমায়ুন কবীর ২০২৪-এর পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হন এবং জেউপি গঠন করেন। সম্প্রতি তিনি মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন এবং ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে মুর্শিদাবাদে শূন্য করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।